রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৭:২০ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:-

বৃষ্টিভেজা ঈদের আভাস

কলাপাড়ার কন্ঠ ডেক্স।। তীব্র তাপদাহে সারা দেশ। এমন পরিস্থিতিতে ঈদের আনন্দ কেমন হবে, তা নিয়ে শঙ্কায় আছেন অনেকে। তবে আবহাওয়া পরিবর্তনের আভাস মিলেছে। প্রবল বৃষ্টিপাতের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। কখন কী পরিমাণ বৃষ্টি হবে, তার ওপর ঈদের আনন্দ নির্ভর করছে বটে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুর রহমান খান বলছেন, ২২ থেকে ২৫ এপ্রিল দেশের প্রায় সব বিভাগের কোথাও-না-কোথাও বৃষ্টি হবে। এই চার দিনের মাঝখানের দুই দিন সারা দেশেই বিকালে বা রাতে বৃষ্টি হবে। তা ছাড়া ময়মনসিংহ, সিলেট ও কুমিল্লায় ২২, ২৩, ২৪ এপ্রিল সকালে বৃষ্টি হতে পারে। ২২ তারিখের পর থেকে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়বে। ১৯ এপ্রিল দেশে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টি হয়েছে। সেখানে তাপ কিছুটা কমেছে। শুক্রবার থেকে চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে তাপ কমে স্বাভাবিক মাত্রায় নেমে আসবে বলে জানান আব্দুর রহমান খান। তিনি বলেন, ’যুগ যুগ ধরে এ সময় এসব অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি থাকে। এটি ভৌগোলিক কারণ হতে পারে।’ আবহাওয়া ভালো রাখার উপায় সম্পর্কে তিনি বলেন, ’নদী-খাল খনন করতে হবে। হাওর-বাঁওড়, জলাশয় খনন ও রক্ষা করতে হবে। বেশি করে গাছ লাগাতে হবে।’ রাজধানীতে ৭ এপ্রিল থেকে চলছে তীব্র দাবদাহ। উত্তরের জেলা চুয়াডাঙ্গার অবস্থা ভয়াবহ। সেখানে ৪ এপ্রিল থেকে টানা ১৮ দিন ধরে চলছে তীব্র দাবদাহ। ২০১৪ সালের এপ্রিলে ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রবিবার সেই রেকর্ড ভেঙে উঠেছে ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। রাস্তায় বের হলেই গরম বাতাস আঘাত হানছে। ঘরের ভেতরেও সেদ্ধ হওয়ার মতো অবস্থা। মানুষের সঙ্গে প্রাণিকুলও বৈরী আবহাওয়ায় কাহিল। দেশে যখন এমন অবস্থা, তখন ভারতের চেরাপুঞ্জিতে প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যার আশঙ্কায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাওরে বোরো ধান কেটে ঘরে তুলতে প্রচার চালাচ্ছে কৃষি বিভাগ। বাংলাদেশের আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকারী কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন, আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত দেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২২ এপ্রিল থেকে মে মাসের ১০ তারিখের মধ্যে দুটি শক্তিশালী পশ্চিমা লঘুচাপ বাংলাদেশ ও ভারতের ওপর দিয়ে অতিক্রম করবে, যার কারণে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়, তীব্র বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টি হলে বজ্রপাত হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুর রহমান খানও। তিনি বলেন, ’প্রতিবছর আমাদের দেশে বজ্রপাতে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। এজন্য বজ্রপাতের সময় মাঠে কাজ না করা ভালো। কোনোভাবেই বড় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া যাবে না। যতটুকু নিচু হওয়া সম্ভব মাটির সঙ্গে মিশে থাকার চেষ্টা করতে হবে।

খবরটি ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

© All rights reserved -2023 © /kalapararkantho.com
Design & Developed BY Hafijur Rahman Akas